মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

নবাবগঞ্জে কালিগঙ্গা নদীতে বিলিন হচ্ছে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি

এবিটিভি রিপোর্ট.
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০
  • ২৫৬ Time View

ঢাকার নবাবগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে  প্রতিনিয়ত বিলিন হচ্ছে, শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের অসংখ্য বসতবাড়ি ও কৃষিজমি। চলমান বর্ষা মৌসুমে এ দুটি ইউনিয়নের কোন্ডা, খতিয়া, পাতিলঝাপ, মেলেং, মাতাপপুর, পাড়াগ্রামসহ বেশ কিছু গ্রামে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভাঙ্গন। এর ফলে প্রতিনিয়ত মানুষ গৃহহীন হয়ে মানবতের জীবন যাপন করছেন। এলাকার অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙে নিরাপদ স্থানে ছুটে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, এমনিতেই করোনা ভাইরাসের কারনে অসংখ্য মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তারপর মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু নদীতে হারিয়ে চরম বিপাকে দিন কাটাচ্ছেন। কালিগঙ্গার কড়াল গ্রাসে কমছে না তাদের দুর্দশা। ঘরবাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় লোকজন পরিবার ও গবাদি পশু নিয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন।
মেলেং গ্রামের হাবিবুর রহমান বলেন, কালিগঙ্গার ভাঙ্গনে গত এক সপ্তাহে মেলেং গ্রামের ১০ টি বসতবাড়ি ও বেশ কিছু কৃষিজমি নদী চলে গেছে। এভাবে ভাঙ্গতে থাকলে অচিরেই, মেলেং ও পাড়াগ্রামের হাটবাজার, মসজিদ, মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কালিগঙ্গা নদীতে চলে যাবে।
শোল্লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা জেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ভূইয়া কিসমত বলেন, সম্প্রতি শোল্লা কলেজের প্রতিষ্টাতা মাহবুরবুর রহমান তারা মিয়া সাহেবের বাড়িটি কালিগঙ্গা নদীতে বিলিন হয়েছে। সাথে নদী গর্ভে চলে গেছে কোন্ডা গ্রামের কবরস্থানসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি। দ্রুত কালিগঙ্গা নদীর ভাঙ্গনরোধ করা না গেলে অচিরেই শোল্লা ও কৈলাইল ইউনিয়নের ব্যাপক অংশ কালিগঙ্গা নদীতে বিলিল হয়ে যাবে। এই অঞ্চলে বাড়বে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের সংখ্যা।
নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু বলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ, নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা, সরেজমিনে পরিদর্শন করে, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ তথা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তাৎক্ষনিক অবিহিত করে, ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগীতা করছে। ভাঙ্গন কবলিত মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category